ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দ্বন্দ্ব তিনজন খুন

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দ্বন্দ্ব তিনজন খুন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক তরুণীর পোস্টের ইমোজির প্রতিক্রিয়ায় তিনজনকে

ছুরিকাঘাতে হত্যা

করা হয়েছে। শনিবার রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দক্ষিণগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। ছুরিকাঘাতে নিহত তিনজন হলেন দক্ষিণগাঁও গ্রামের মৃত আলম মিয়ার

ছেলে নাঈম

ইসলাম (১৫) ও মো. হিরণ মিয়া। রবিন (১৪) ও মো. আলমের ছেলে মো. ফারুক (২৫)। এমনকি তিনজনের বাড়িও। নাঈম ও রবিন উঠান বাজারের

দুটি আলাদা

কাপড়ের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। ফারুক নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।

আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ newstipj.com

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দ্বন্দ্ব তিনজন খুন

মৃত নাঈম ইসলামের স্বজনরা জানায়, দুই-তিন দিন আগে স্থানীয় জাহিদ হোসেনের স্ত্রী মারিয়া তার একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এটি দেখে

নাঈম একটি

ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়। নাঈমের বড় বোন রিমা আক্তার অভিযোগ করেন, প্রতিক্রিয়া দেখে জাহিদ তার ছোট ভাইয়ের ফেসবুক মেসেঞ্জারে গালিগালাজ

শুরু করে। নাঈমকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন।

নাঈমের বড় ভাই জাহিদুল হাসান জানান, গত শনিবার জিএল হাইস্কুল ক্যাম্পে ওয়াজ শুনতে নাঈমের কাছে যান নাঈম। তিনি দাবি করেন, রাতে

জাহিদ ও তার

সহযোগীরা দক্ষিণগাঁও গ্রামের একটি মসজিদের পাশে বসেন। এ সময় তাদের কয়েকজন নাঈমকে খুঁজছিলেন।

নাঈমের চাচা মিলন মিয়া অভিযোগ করেন, রাত ১১টার দিকে নাঈম চলে যাওয়ার পর জাহিদ তার (নাঈমের) পথ আটকে দেয়। এ সময় হাতাহাতি হয়। পরে

জাহিদ ও তার ১০-১২ সহযোগী নাঈমের ওপর হামলা চালায়। তারা নাঈমকে একের পর এক ছুরিকাঘাত করে। তা দেখে ওই পথে আসা রবিন, ফারুক, হৃদয়

ও ফাহিম দৌড়ে নাঈমকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের ছুরিকাঘাতও করা হয়। পরে জাহিদ ও তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তার জানান,

তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈম, রবিন ও ফারুককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাদের উদ্ধার করে নাঈম ও ফারুককে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে রবিন, হৃদয় ও ফাহিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

ভর্তি করা

হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকালে রবিনের মৃত্যু হয়।

মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাসেল মাহমুদ সাকিব বলেন, “রাত ১১টার দিকে সাতজনকে হাসপাতালে নিয়ে

যাওয়া হয়।

তাদের মধ্যে নাঈম ও ফারুককে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ফারুকের বুকে ও বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাঈমের পেটে। অন্য পাঁচজন। ঢাকা মেডিকেল

কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।” পরে জানতে পারি রবিন সেখানে মারা গেছে। ‘

কাপাসিয়া থানার ওসি এফএম নাসিম কালের কণ্ঠকে বলেন, হামলায় অংশ নেওয়া জাহিদ ও তার সহযোগীদের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। হামলার

পরপরই তারা চলে যায়, এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত চারজন আটক ছিল। রবিবার হলেন মনোহরদী উপজেলার কোচেরচর গ্রামের বেলায়েত, একই গ্রামের

শেখ শাহেদ,

একই উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের ফয়সাল ও কাপাসিয়ার চরমনিয়ার মারুফ।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দ্বন্দ্ব তিনজন খুন

গাজীপুর (কালীগঞ্জ সার্কেল) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াসমিন কালের কণ্ঠকে বলেন, “জাহিদের স্ত্রীর ফেসবুকে পোস্ট করা নিয়ে ধস্তাধস্তিতে তার পাঁচ সহযোগী জাহিদ ও তার সহযোগীদের ছুরিকাঘাত করে। তাদের মধ্যে তিনজন মারা যায়। ফারুক, মোহাম্মদকে হত্যা করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 14 জন।

About admin

Check Also

একটা ম্যাচ জিততে পারলেও সেটা সাফল্য দেশ ছাড়ার আগে সাকিব

একটা ম্যাচ জিততে পারলেও সেটা সাফল্য সাকিব

একটা ম্যাচ জিততে পারলেও সেটা সাফল্য দেশ ছাড়ার আগে সাকিব, অনেক নাটকীয়তার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.